আজ ১৪ অক্টোবর দেশীয় বাজারে এসজেসি সোনার দাম অপরিবর্তিত থাকলেও ফু কুই ও বাও তিন মান হাই ব্র্যান্ডের আংটির দামে ভিন্নতা দেখা গেছে। বিশ্ববাজারে স্পট সোনার দাম কমে প্রতি আউন্স ৪,১৬২.১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন মুদ্রাস্ফীতি সূচক প্রকাশ ও ফেডের সুদের হার নীতির অপেক্ষায় বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বিশ্ববাজারে স্পট সোনার দাম সামান্য কমে প্রতি আউন্স ৪,১৬২.১ ডলারে নেমে এসেছে, যা ভিয়েতনামী মুদ্রায় কর ও ফি বাদে প্রায় ১৩০.৯ মিলিয়ন VND এর সমতুল্য।
- এসজেসি এবং পিএনজি ব্র্যান্ডের সোনার বার প্রতি আউন্স ১৪১.৩ থেকে ১৪৪.৩ মিলিয়ন VND ক্রয়-বিক্রয় মূল্যে অপরিবর্তিত রয়েছে, তবে ফু কুই সোনার বারের ক্রয়মূল্য ৩০০,০০০ VND কমেছে।
- মার্কিন সেপ্টেম্বর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) এবং উৎপাদক মূল্য সূচক (পিপিআই) প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে বাজারে লেনদেন মন্থর রয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আজকের (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ও দেশীয় bullion বাজারে সোনার দামে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দেশীয় বাজারে সোনার বার ও আংটির দাম বিভিন্ন ব্র্যান্ডভেদে ভিন্নমুখী ওঠানামা করেছে। এসজেসি, বাও তিন মান হাই, পিএনজি এবং ডজি-এর মতো শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো সোনার বার যথারীতি পূর্বের দামে লেনদেন করলেও ফু কুই ব্র্যান্ডের সোনার বার এবং আংটির দামে কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে, ফু কুই সোনার আংটির দাম প্রতি আউন্টে ৩০০,০০০ VND কমেছে, অন্যদিকে বাও তিন মান হাই-তে গোলাকার সোনার আংটির ক্রয়মূল্য প্রতি আউন্স ১৩৮.৫ মিলিয়ন VND-এ উন্নীত হয়েছে।
বিশ্ববাজারের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, স্পট সোনার দাম সামান্য কমে প্রতি আউন্স ৪,১৬২.১ মার্কিন ডলারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। ভিয়েতকমব্যাংকের বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কর ও ফি বাদ দিলে বিশ্ববাজারে সোনার এই মূল্য প্রতি আউন্স প্রায় ১৩০.৯ মিলিয়ন ভিয়েতনামী ডং-এর সমান। মূলত আসন্ন মার্কিন অর্থনৈতিক ডেটা প্রকাশের পূর্বমুহূর্তে বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীরা অত্যন্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ায় এই মূল্য সংশোধন দেখা দিয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেপ্টেম্বর মাসের সিপিআই এবং পিপিআই প্রতিবেদনের পাশাপাশি ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত বিবৃতির জন্য বাজার অপেক্ষা করছে।
বাজার বিশ্লেষক ও স্টোনএক্স-এর সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট বব হ্যাবারকর্ন জানিয়েছেন যে, গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উপাত্ত প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত বড় ধরনের ঝুঁকি নেওয়া থেকে বিরত থাকেন। ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৮৮% পর্যন্ত অনুমান করা হচ্ছে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও ফেডের কঠোর মুদ্রানীতির আশঙ্কার কারণে সোনা ধরে রাখার সুযোগ ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মূল্যবান এই ধাতুর ঊর্ধ্বমুখী যাত্রায় বড় বাধা সৃষ্টি করছে। মার্কিন ট্রেজারি ইল্ড ও শক্তিশালী ডলারের অবস্থানও সোনাকে চাপের মুখে রেখেছে।
স্বল্প মেয়াদে সোনার বাজারের গতিপ্রকৃতি সম্পূর্ণভাবে মার্কিন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবেদনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। যদি প্রকাশিত উপাত্তে মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে কম রেকর্ড করা হয়, তবে ফেড কর্তৃক মুদ্রানীতি শিথিল করার সম্ভাবনা বাড়বে, যা সোনার বাজারকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করবে। অন্যদিকে, মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি থাকলে উচ্চ সুদের হার বজায় রাখার ধারণা শক্তিশালী হবে এবং বুলিয়ন মার্কেটে মন্দাভাব বজায় থাকতে পারে। একই সাথে হ্যানয় ও হো চি মিন সিটির বাজারে রূপার দামও স্থিতিশীল রয়েছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।