রাজধানীর বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় কমেছে অধিকাংশ পণ্যের দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় লাউ, শিম ও ফুলকপির দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ৪০ টাকা কমে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে। পোলাওয়ের চাল, আটাময়দা ও ভোজ্যতেলের বাজারও স্থিতিশীল রয়েছে। তবে মাছের চড়া দাম নিয়ে ক্রেতাদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে, আর ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে লাউ, শিম ও ফুলকপিসহ বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।
- কাঁচামরিচের বাজারে বড় পতন ঘটে প্রতি কেজি মরিচ আগের তুলনায় ৪০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।
- মাছের বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির দাবি করা হলেও ক্রেতারা দাম না কমার অভিযোগ করেছেন, অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে প্রায় প্রতিটি শীতকালীন সবজির দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বিশেষ করে লাউ, শিম, ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে খুচরা বাজারেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
সবজির পাশাপাশি রান্নাঘরের অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। কেজিতে ৪০ টাকা কমে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর পোলাওয়ের চাল, আটা এবং ময়দার দামেও কিছুটা স্বস্তি মিলছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় ভোজ্যতেলের বাজারও স্থিতিশীল রয়েছে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের বাজেটে স্বস্তি এনে দিয়েছে।
তবে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও মাছের বাজারে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লেও বিক্রেতারা দাম কমাচ্ছেন না, বরং চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। অন্যদিকে, মাংসের বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের নির্ধারিত দামেই প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শীতকালীন সবজির ভরা মৌসুম চলায় আগামী কয়েক সপ্তাহ শাকসবজির বাজার এমন স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে মাছ ও মাংসের বাজারে স্বস্তি ফেরাতে নিয়মিত তদারকি এবং সরবরাহ চেইনে আরও স্বচ্ছতা আনা জরুরি। সার্বিকভাবে নিত্যপণ্যের এই মিশ্র বাজারদরে সাধারণ ভোক্তারা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেও আমিষের বাজারে বাড়তি খরচের চাপ রয়েই গেছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।