বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রায় ১২ লাখ পোস্টপেইড গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল এখন থেকে সহজে সংগ্রহ করবে ব্র্যাক ব্যাংক। সম্প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির আওতায় গ্রাহকরা ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল চ্যানেল, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং দেশব্যাপী বিস্তৃত এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেকোনো স্থান থেকে নিরাপদে ও ঝামেলামুক্তভাবে তাদের মাসিক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রায় ১২ লাখ পোস্টপেইড গ্রাহক এখন থেকে ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের মাসিক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন।
- গ্রাহকরা ব্র্যাক ব্যাংকের আধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ, ইন্টারনেট ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম এবং দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে এই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
- এই চুক্তির ফলে গ্রাহকদের বিল পরিশোধ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রায় ১২ লাখ পোস্টপেইড গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল সহজে ও নির্বিঘ্নে সংগ্রহের লক্ষ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক একটি বিশেষ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির ফলে বিপিডিবির বিপুল সংখ্যক গ্রাহক এখন থেকে প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি ব্র্যাক ব্যাংকের আধুনিক ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের মাসিক ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন। গ্রাহক ভোগান্তি কমানো এবং ডিজিটাল লেনদেনকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে বিপিডিবির পোস্টপেইড গ্রাহকদের একটি বড় অংশ প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়ে বিল পরিশোধ করতে গিয়ে নানা ধরনের জটিলায়ের মুখোমুখি হন। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহকরা ব্র্যাক ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ এবং দেশব্যাপী বিস্তৃত এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যে ঘরে বসেই বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এর ফলে গ্রাহকদের আর ব্যাংকের শাখা বা নির্ধারিত ক্যাশ কাউন্টারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করতে হবে না।
উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। বিপিডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গ্রাহকদের দোরগোড়ায় আধুনিক ও ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অন্যদিকে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেছেন যে, তাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকরা সম্পূর্ণ সুরক্ষিতভাবে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় সেবামূলক সংস্থার সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের এই ধরনের সহযোগিতা দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরও ত্বরান্বিত করবে। এটি কেবল ক্যাশলেস সমাজ গড়ার সরকারি লক্ষ্যকেই ত্বরান্বিত করবে না, বরং গ্রাহকদের সময় ও শ্রম বাঁচিয়ে সামগ্রিক সেবার মান বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।