যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পুনরায় ধ্বংসের হুমকি দিয়ে বলেছেন, নতুন করে হামলা হলে দেশটির ঘুরে দাঁড়াতে অন্তত ২৫ বছর সময় লাগবে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইরানি পরমাণু স্থাপনায় হামলার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এদিকে তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, হামলা হলে ইউরোপেও তাদের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন, ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানো হলে দেশটির অর্থনীতি ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে অন্তত ২৫ বছর সময় লাগবে।
- ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন প্রশাসনকে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর সরাসরি সামরিক হামলা চালানোর জন্য প্রবল চাপ সৃষ্টি করছেন।
- তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যদি নতুন কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে তাদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইউরোপীয় ভূখণ্ডেও আঘাত হানবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করার মধ্যেই ইরানকে লক্ষ্য করে নতুন করে কঠোর হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, তেহরানের ওপর যদি পুনরায় সামরিক আঘাত হানা হয়, তবে দেশটির বর্তমান অবকাঠামো ও অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে এবং ঘুরে দাঁড়াতে তাদের অন্তত ২৫ বছর সময় লাগবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
গোয়েন্দা সূত্র ও গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, আগামী ৯ নভেম্বর অমাবস্যার অন্ধকার রাতের সুযোগ নিয়ে ইরানের নির্দিষ্ট কিছু কৌশলগত স্থাপনায় মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলার একটি গোপন পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে। মূলত ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ওপর একটানা চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছেন যেন ইরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি ও সামরিক ঘাঁটিগুলোতে দ্রুত বড় ধরনের বিমান হামলা চালানো হয়।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা অনুধাবন করে ইরানের পক্ষ থেকেও অত্যন্ত কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। তেহরানের নীতিনির্ধারক ও সামরিক কর্মকর্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র সামান্যতম दुসাহসিকতা দেখালে তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। বিশেষ করে, নতুন কোনো হামলা পরিচালিত হলে তা কেবল মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ইরানের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ব্যবহার করে ইউরোপের বিভিন্ন ভূখণ্ডেও আঘাত হানা হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক মন্তব্য এবং নেতানিয়াহুর যুদ্ধংদেহী অবস্থান বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য নতুন এক বড় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরমাণু সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার মধ্যে এই ধরনের সামরিক উত্তেজনা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করছে বলে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গবেষকরা মত প্রকাশ করেছেন।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।