দেশের বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমার পর তা আবার সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভালো মানের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনা ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১২ হাজার ৯১৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২,২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১২ হাজার ৯১৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এর আগে বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা থাকলেও দেশীয় বাজারে স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে।
- নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৭ হাজার ৮৮১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ৯২ হাজার ৪৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের বাজারে আবারও পরিবর্তন এসেছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও ব্যবসায়ীদের দাবি, বিশ্ববাজার এবং স্থানীয় তেজাবি সোনার দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই সমন্বয় করা হয়েছে।
এর আগে আন্তর্জাতিক বাজার এবং দেশের bullion মার্কেটে বেশ কিছুদিন দাম নিম্নমুখী থাকায় চার দফায় সোনার দাম কমানো হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারে অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে পুনরায় দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বাজুসের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের গহনা ব্যবসায়ীরা এই বর্ধিত দামেই সোনা কেনাবেচা করবেন।
নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৯১৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭ হাজার ৮৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ৯২ হাজার ৪৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ৭৬ হাজার ৫৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সোনার দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রতি ভরি রূপার পূর্বনির্ধারিত দামই বহাল রাখা হয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মতে, বাংলাদেশের সোনার বাজার সম্পূর্ণভাবে আমদানিনির্ভর হওয়ায় বিশ্ববাজারের প্রতিটি পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি এখানে পড়ে। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের অভিজাত জুয়েলার্সগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতিতে সাময়িক বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিক্রেতারা। তবে বিনিয়োগকারী ও যারা অলংকার কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য বাজার পরিস্থিতির দিকে নিয়মিত নজর রাখা ছাড়া গত্যন্তর নেই।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।