লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

ছয় বছরে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে কী পরিমাণ সোনা

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 13 অক্টোবর 2026, 05:37 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 66 বার পঠিত
ছয় বছরে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে কী পরিমাণ সোনা
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

দীর্ঘ ছয় বছর পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে রেকর্ড পরিমাণ স্বর্ণ ও রূপা পাওয়া গেছে। গতকাল সম্পন্ন হওয়া দিনব্যাপী গণনা শেষে মোট ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ এবং ১ হাজার ৮৮ ভরি রূপা পাওয়া যায়। মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও রূপকার স্বর্ণকারদের তত্ত্বাবধানে আধুনিক মেশিনে নিখুঁতভাবে এই ওজন নির্ধারণ করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে দীর্ঘ ছয় বছর পর মোট ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ জমা হয়েছে, যা সাম্প্রতিককালের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ।
  • স্বর্ণের পাশাপাশি একই সময়ে দানবাক্সগুলোতে ১ হাজার ৮৮ ভরি রূপা পাওয়া গেছে যা মসজিদটির ইতিহাসে বিরল।
  • মসজিদ পরিচালনা কমিটি এবং স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে অভিজ্ঞ স্বর্ণকারদের মাধ্যমে আধুনিক ওজন যন্ত্রে এসব মূল্যবান ধাতুর সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

দীর্ঘ ছয় বছর বিরতির পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হলে তাতে মেলে রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবান ধাতু। দিনব্যাপী কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত সামগ্রী গণনার কাজ সম্পন্ন হয়। এতে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ এবং ১ হাজার ৮৮ ভরি রূপা পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। সাধারণত মসজিদের দানবাক্সে নগদ টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার পাওয়া গেলেও এবারের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সগুলো না খোলায় এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তদের নিয়মিত বিপুল পরিমাণ মানত ও দান জমা হওয়ায় এই বিশাল পরিমাণ স্বর্ণ ও রূপা জমা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঐতিহাসিক এই মসজিদে মানত করলে মনোবাসনা পূরণ হয়—এমন অগাধ বিশ্বাসের কারণেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ নগদ অর্থের পাশাপাশি স্বর্ণালংকার ও রূপা দান করে থাকেন। এর আগে প্রতি তিন থেকে চার মাস পর দানবাক্স খোলা হলেও এবার প্রশাসনিক নানা জটিলতা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে প্রায় ছয় বছর পর বাক্সগুলো খোলা হয়।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে স্বর্ণ ও রূপা ওজন করার বিশেষ টিম কাজ করে। আধুনিক ডিজিটাল স্কেলে নিখুঁত পরিমাপের পর প্রাপ্ত সমস্ত স্বর্ণ ও রূপা রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখায় নিরাপদে জমা রাখা হয়েছে। এর আগে গত গণনাগুলোতে কেবল নগদ টাকার পরিমাণ প্রকাশ করা হলেও এবার মূল্যবান ধাতুর সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত এই বিপুল পরিমাণ সোনা ও রূপা বিক্রির মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ মসজিদের উন্নয়ন কাজ, এতিমখানা পরিচালনা এবং অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। ঐতিহাসিক এই দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়ার ফলে স্থানীয় অসহায় মানুষের চিকিৎসা ও শিক্ষাক্ষেত্রে সহায়তা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ