লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

দাম বাড়ার পর সোনার ভরি আজ কত

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 11 অক্টোবর 2026, 02:54 রাত | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 47 বার পঠিত
দাম বাড়ার পর সোনার ভরি আজ কত
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

দেশের ব্যাংক খাতের কাঠামোগত সংস্কার ও পুনর্গঠনে আগামী পাঁচ থেকে আট বছর প্রতি বছর জাতীয় বাজেট থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। শনিবার রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার সময় ব্যাংকিং খাতের এক-তৃতীয়াংশ তহবিল লুট হয়ে গিয়েছিল।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংক খাতের কাঠামোগত সংস্কার ও পুনর্গঠনের জন্য আগামী ৫ থেকে ৮ বছর প্রতি বছর জাতীয় বাজেট থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন।
  • শনিবার রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) ওয়ান ব্যাংক পিএলসি আয়োজিত অনুষ্ঠানে গভর্নর জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার সময় ব্যাংকিং ব্যবস্থার মোট তহবিলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ লুট হয়ে গিয়েছিল।
  • লুট হওয়া এই অর্থ দিয়ে পদ্মা সেতুর মতো দুটি বড় অবকাঠামো নির্মাণ করা কিংবা দুই কোটি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া সম্ভব হতো বলে মন্তব্য করেন গভর্নর।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

দেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে কাঠামোগত সংস্কার ও পুনর্গঠনের জন্য আগামী পাঁচ থেকে আট বছর জাতীয় বাজেট থেকে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) ওয়ান ব্যাংক পিএলসি আয়োজিত বাংলা কিউআর লেনদেনের প্রচার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেন।

ব্যাংক খাতে অতীতে সংঘটিত অর্থপাচার ও ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে গভর্নর বলেন, তিনি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, সে সময় ব্যাংকিং ব্যবস্থার মোট তহবিলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ লুট হয়ে গিয়েছিল। বিপুল পরিমাণ এই অর্থ ব্যাংকিং খাত থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তারল্য সংকটের পেছনের কারণ তুলে ধরে গভর্নর বলেন, ব্যাংক খাত থেকে লুট হওয়া অর্থ দিয়ে প্রায় দুই কোটি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া সম্ভব হতো। এমনকি একই অর্থে পদ্মা সেতুর মতো দুটি বড় অবকাঠামো প্রকল্পও বাস্তবায়ন করা যেত। ব্যাংকিং খাতে সংঘটিত অপরাধের ভয়াবহতা বোঝাতে প্রচলিত শব্দ যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি একে কেবল সাধারণ চুরি নয়, বরং পরিকল্পিত লুটপাট হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং লুট হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান গভর্নর। অনিয়ম ও অর্থপাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ব্যাংক খাতের এই দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি কাটিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ