লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

ঢাকা ও চট্টগ্রামে কাস্টমস ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 17 অক্টোবর 2026, 05:14 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 69 বার পঠিত
ঢাকা ও চট্টগ্রামে কাস্টমস ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

ঢাকা ও চট্টগ্রামে পৃথক দুটি অভিযানে মোট ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার অবৈধ ও শুল্ক ফাঁকি দেওয়া পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে উচ্চমূল্যের কসমেটিকস, ইলেকট্রনিক্স ও প্রসাধন সামগ্রী আটক করা হয়। অবৈধ বাণিজ্য রোধে এবং সরকারি রাজস্ব সুরক্ষায় কাস্টমসের এই বিশেষ কড়াকড়ি ও নজরদারি সামনের দিনগুলোতে আরও জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • ঢাকা ও চট্টগ্রামে পরিচালিত কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে সর্বমোট ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার অবৈধ ও শুল্ক ফাঁকি দেওয়া পণ্য জব্দ করা হয়েছে।
  • জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ উচ্চমূল্যের বিদেশি প্রসাধন সামগ্রী, ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধন যা অবৈধপথে দেশে প্রবেশ করেছিল।
  • কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং রাজস্ব ফাঁকি রোধে দেশজুড়ে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও কঠোর করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং অবৈধ চোরাচালান প্রতিহত করতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালানো হয়েছে বড় ধরনের দুটি সফল অপারেশন। এসব অভিযানে আনুমানিক ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়েছে, যা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশের বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করা হচ্ছিল। রাজধানী ঢাকা এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জব্দকৃত পণ্যের চালানে মূলত উচ্চমূল্যের প্রসাধন সামগ্রী, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং বিদেশি ব্র্যান্ডের প্রসাধন পণ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অসাধু চক্র শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ঘোষণায় বা লাগেজ পার্টির মাধ্যমে এই পণ্যগুলো দেশীয় বাজারে আনছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই চোরাচালান সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পণ্য সরবরাহ করে আসছিল।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের শনাক্ত করতে এবং তাদের নেটওয়ার্ক ভাঙতে ইতোমধ্যে আরও নিবিড় তদন্ত শুরু হয়েছে। জব্দ করা পণ্যের বিষয়ে কাস্টমস আইনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে দেশীয় বাজারে অবৈধ পণ্যের দৌরাত্ম্য কমবে এবং বৈধ ব্যবসায়ীরা সঠিক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ফিরে পাবেন। পাশাপাশি, সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে এবং অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযানের বিকল্প নেই। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আসন্ন দিনগুলোতে দেশের সব স্থল, বিমান ও সমুদ্রবন্দরে নজরদারি আরও বহুগুণ বাড়ানো হবে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ