নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে হঠাৎ বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে এই সফর অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার হাইকমিশনারের ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে অনির্ধারিত বৈঠকে মিলিত হন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
- বৈঠকে আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
- বৈঠক শেষে দীনেশ ত্রিবেদী গণমাধ্যমকে জানান, দুই দেশের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসলে যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব এবং প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো নেই।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে হঠাৎ এক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত এই অনির্ধারিত বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয়ে ঢাকার বর্তমান অবস্থান নয়াদিল্লির কাছে তুলে ধরা হয়। সোমবার রাতে ঢাকা থেকে দিল্লি পৌঁছে মঙ্গলবার দুপুরে মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। আগামী বৃহস্পতিবার তার ঢাকায় ফিরে আসার কথা রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যেতে পারেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে গত সোমবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী সুবিধাজনক সময়েই ভারত সফর করবেন। এই প্রেক্ষাপটে হাইকমিশনারের এই আকস্মিক দিল্লি সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাংবাদিকদের জানান, নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি বৈঠকে বসেন, তবে এমন কোনো সমস্যা থাকবে না যার সমাধান করা সম্ভব হবে না। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগেও গত আগস্ট মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর হঠাৎ দিল্লি গিয়ে মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন এই হাইকমিশনার। তবে এবারের বৈঠক নিয়ে দুই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এই উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠক দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে প্রসারিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং তিস্তাসহ অন্যান্য অমীমাংসিত ইস্যুগুলোতে শীর্ষ বৈঠকের আগে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা হিসেবে এই বৈঠককে দেখা হচ্ছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।