লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

এক ঘণ্টা ধরে স্ত্রীকে ‘বাঁচানোর চেষ্টা’, ব্যর্থ হয়ে লাশ টুকরো টুকরো করেন তিনি!

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 06 নভেম্বর 2026, 06:13 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 68 বার পঠিত
এক ঘণ্টা ধরে স্ত্রীকে ‘বাঁচানোর চেষ্টা’, ব্যর্থ হয়ে লাশ টুকরো টুকরো করেন তিনি!
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

আমেরিকার ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী মমতা কাফলে ভাটকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত স্বামী নরেশ ভাট আদালতে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। ২৯ জুলাই ২০২৪-এ নিখোঁজ হওয়ার পর, নরেশ দাবি করেন মমতা আত্মহত্যা করেছেন। তিনি স্ত্রীকে বাঁচানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে আতঙ্কিত হয়ে ইলেকট্রিক করাত দিয়ে লাশ টুকরো টুকরো করে ডাস্টবিনে ফেলে দেন। ২২ আগস্ট নরেশকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • অভিযুক্ত নরেশ ভাট দাবি করেছেন, তার স্ত্রী মমতা কাফলে ভাট প্রচুর ট্যাবলেট ও 'সেলফোস' নামক বিষাক্ত কীটনাশক সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন, যার প্রমাণ হিসেবে তিনি বিছানার পাশে বমি ও ওষুধের বোতল পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।
  • তদন্তকারী পুলিশ দম্পতির শোবার ঘর ও বাথরুমে রক্তের দাগ এবং চুল লেগে থাকা একটি ইলেকট্রিক করাত উদ্ধার করেছে, যা নরেশের বিরুদ্ধে লাশ বিকৃত করার অভিযোগের প্রধান আলামত হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
  • নরেশ ভাট স্বীকার করেছেন যে, তিনি লাশ গুম করার জন্য 'হোম ডিপো' থেকে সরঞ্জাম কিনেছিলেন এবং বাথরুমে করাত দিয়ে লাশ কেটে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে বিভিন্ন ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছিলেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

আমেরিকার ভার্জিনিয়ায় চাঞ্চল্যকর মমতা কাফলে ভাট হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় এসেছে। অভিযুক্ত স্বামী নরেশ ভাট আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে দাবি করেছেন, তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন এবং তিনি আতঙ্কিত হয়েই লাশ টুকরো টুকরো করার মতো জঘন্য পথ বেছে নিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই শেষবার দেখা যাওয়ার পর ৫ আগস্ট মমতার কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে বিষয়টি জানাজানি হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর ২২ আগস্ট পুলিশ নরেশকে গ্রেফতার করে এবং তাদের বাসভবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, নরেশ দাবি করেন যে ভোর ৪টার দিকে তিনি মমতাকে অচেতন অবস্থায় পান এবং প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। তিনি ৯১১-এ কল না করার কারণ হিসেবে তীব্র আতঙ্ক ও মানসিক ভারসাম্যহীনতাকে দায়ী করেছেন। পরবর্তীতে তিনি লাশ গুম করার পরিকল্পনা করেন এবং স্থানীয় দোকান থেকে করাতসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করেন। নরেশ জানান, তিনি নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা থেকে বিরত থাকেন।

আদালতে নরেশের এই স্বীকারোক্তিকে আইনজীবীরা একটি পরিকল্পিত কৌশল হিসেবে দেখছেন, যার মাধ্যমে তিনি হত্যার দায় থেকে মুক্তি পেতে চাইছেন। প্রসিকিউশন পক্ষ জানিয়েছে, দম্পতির শোবার ঘর ও বাথরুমে পাওয়া রক্তের দাগ এবং উদ্ধারকৃত ইলেকট্রিক করাত এই হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতার প্রমাণ দেয়। যদিও নরেশ আত্মহত্যার দাবি করছেন, তবে ফরেনসিক রিপোর্ট ও অন্যান্য পারিপার্শ্বিক তথ্য তার এই দাবিকে কতটা সমর্থন করবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

এই ঘটনাটি ভার্জিনিয়ার প্রবাসী কমিউনিটিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। মমতার লাশের কোনো সন্ধান না পাওয়া এবং নরেশের অসংলগ্ন স্বীকারোক্তি মামলার মোড়কে আরও জটিল করে তুলেছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই স্বীকারোক্তি নরেশকে কঠোর শাস্তি থেকে বাঁচাতে পারবে না, বরং তার বিরুদ্ধে আনা লাশ বিকৃত ও গুম করার অভিযোগকে আরও শক্তিশালী করবে। মামলার পরবর্তী শুনানিগুলোতে আরও নতুন তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ