লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

এশিয়ায় ৭০ শতাংশই বাড়বে বিশ্বে জ্বালানি চাহিদা

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 26 অক্টোবর 2026, 05:48 বিকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 17 বার পঠিত
এশিয়ায় ৭০ শতাংশই বাড়বে বিশ্বে জ্বালানি চাহিদা
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট জ্বালানি চাহিদা বৃদ্ধির প্রায় ৭০ শতাংশই আসবে এশিয়া থেকে। আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাককিনজির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই চাহিদা মেটাতে আগামী ১৫ বছরে এশিয়ার জ্বালানি খাতে প্রায় ১৫ ট্রিলিয়ন ডলার বা বছরে ১ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে। শিল্পায়ন ও ডেটা সেন্টারের সম্প্রসারণের ফলে এই বিপুল বিনিয়োগের চাহিদা তৈরি হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাককিনজির তথ্য অনুযায়ী, ২০৪০ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে যে পরিমাণ নিট জ্বালানি চাহিদা বাড়বে, তার প্রায় ৭০ শতাংশই এশিয়া অঞ্চল থেকে আসবে এবং ২০৪০ সালে এ অঞ্চলের চাহিদা পূর্বাভাসের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি হবে।
  • চাহিদা পূরণে আগামী ১৫ বছরে এশিয়ার জ্বালানি খাতে বছরে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার করে মোট ১৫ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে, যার মধ্যে শুধু সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ অবকাঠামো গড়তেই বছরে ৩০০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।
  • কার্বন ব্রিফের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ১ হাজার ৭২৭ টেরাওয়াট-ঘণ্টায় পৌঁছে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকে ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে চীন, ভারত ও পাকিস্তান এই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

দ্রুতগতির শিল্পায়ন, ডেটা সেন্টারের সম্প্রসারণ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের ফলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে এশিয়ার জ্বালানি খাতে বছরে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে। আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাককিনজির প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, ২০৪০ সাল পর্যন্ত বিশ্বে নিট জ্বালানি চাহিদা যতটা বৃদ্ধি পাবে, তার প্রায় ৭০ শতাংশই আসবে এশিয়া থেকে। এই সময়ে অঞ্চলটির জ্বালানি চাহিদা পূর্বাভাসের তুলনায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।

যদিও এশিয়ায় সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের উৎপাদন দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবুও জ্বালানি রূপান্তর সহজ হবে না। বর্তমানে এশিয়ার প্রাথমিক জ্বালানি ব্যবহারের ৪৭ শতাংশ আসে কয়লা থেকে, যেখানে তেলের অংশ ২৫ শতাংশ এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ১২ শতাংশ। চীনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যাপক সম্প্রসারণের ফলে কয়লার চাহিদা কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাড়তি চাহিদার কারণে আগামী এক দশকে এশিয়ায় কয়লার ব্যবহার মোটামুটি স্থিতিশীল থাকবে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান কার্বন ব্রিফের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সমাপ্ত ১২ মাসে এশিয়ায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ১ হাজার ৭২৭ টেরাওয়াট-ঘণ্টায় উন্নীত হয়েছে, যা একই সময়ে ১ হাজার ৭১১ টেরাওয়াট-ঘণ্টা উৎপাদিত গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকে পেছনে ফেলেছে। এর ফলে সৌরশক্তি এশিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের তৃতীয় বৃহত্তম উৎসে পরিণত হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি ব্যাটারিতে বিদ্যুৎ সংরক্ষণের খরচও হ্রাস পাচ্ছে, যা গ্রিডের স্থিতিশীলতা রক্ষায় ভূমিকা রাখছে।

আমদানিনির্ভরতা কমাতে এবং সরবরাহব্যবস্থাকে ঝুঁকিমুক্ত করতে এশিয়ার দেশগুলো জৈব জ্বালানির ওপরও জোর দিচ্ছে। ভারত পেট্রলে ইথানল মেশানোর কর্মসূচি সম্প্রসারণ করেছে এবং ইন্দোনেশিয়া ডিজেলের সঙ্গে পাম তেলভিত্তিক জৈব জ্বালানি মিশ্রণের পরিমাণ ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। ম্যাককিনজির মতে, ২০৪০ সালের মধ্যে জৈব জ্বালানির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বছরে ৯০ থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের জ্বালানি আমদানি প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ