ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার চলাচলের জন্য নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে সরকার। নীতিমালায় রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে এবং নিবন্ধন ফি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। লাইসেন্সবিহীন কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা রাজধানীতে চলতে পারবে না বলে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা নিরাপদ চলাচলের জন্য বাধ্যতামূলক।
- নিবন্ধন ফি বাবদ প্রতি রিকশার জন্য ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন নীতিমালায়।
- লাইসেন্সবিহীন কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা ঢাকা মহানগরীর মূল সড়কে চলাচল করতে পারবে না এবং অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ঢাকা শহরে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ও ভ্যান নিয়ন্ত্রنের জন্য অবশেষে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই বিধিমালা অনুযায়ী, রাজধানীতে এখন থেকে কোনো লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করতে পারবে না। সড়কে বিশৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনা রোধে এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য বেশ কিছু প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি রিকশার বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের জন্য ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা ফি ধার্য করা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নীতিমালা অত্যন্ত সময়োপযোগী। ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোর বেপরোয়া গতি ও যত্রতত্র চলাচলের কারণে প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। নতুন নিয়মের ফলে চালক ও মালিকরা শৃঙ্খলার মধ্যে আসবেন এবং বৈধ উপায়ে যান চলাচল পরিচালনা করতে বাধ্য হবেন।
এই নীতিমালা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে যানজট অনেকাংশে হ্রাস পাবে এবং রিকশা খাতের বিশৃঙ্খলা দূর হবে। একই সঙ্গে অবৈধ চার্জিং ও যত্রতত্র ব্যাটারি ব্যবহারের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পথ সুগম হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।