লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

Indranil Sen: কীভাবে আর্থিক দুর্নীতি? ইন্দ্রনীলের সংস্থা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 30 অক্টোবর 2026, 04:17 দুপুর | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 46 বার পঠিত
Indranil Sen: কীভাবে আর্থিক দুর্নীতি? ইন্দ্রনীলের সংস্থা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

কোটি কোটি টাকা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আদালত তাঁকে আগামী ১০ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছেন। এদিকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ও কলকাতা পুলিশ যৌথভাবে এই দুর্নীতির মানি-ট্রেল খতিয়ে দেখছে। ইডির তদন্তে তাঁর সংস্থা থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তরের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • তৃণমূল সরকারের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আদালত তাঁকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছেন।
  • তদন্তকারী সংস্থা ইডির প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইন্দ্রনীল সেনের মালিকানাধীন 'অকটেভ রেকর্ডস' নামক সংস্থা থেকে ৩০ লক্ষ টাকা সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়েছিল।
  • মন্ত্রী থাকা অবস্থায় ইন্দ্রনীল সেন তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী ধ্রুবজ্যোতি বসু ও দীপেশ রায়ের সংস্থাকে ৮৫ কোটিরও বেশি টাকার সরকারি টেন্ডার পাইয়ে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস আমলের প্রভাবশালী সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বুধবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদালত তাঁকে আগামী ১০ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রাজনৈতিক পালাবদলের ইতিহাসে সবসময় ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা ইন্দ্রনীল সেনের এই পতন রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এবং কলকাতা পুলিশ যৌথভাবে এই দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট উৎস ও অর্থপ্রবাহ বা মানি-ট্রেল খতিয়ে দেখছে। ইডির প্রাথমিক তদন্তে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, মন্ত্রী থাকাকালীন ইন্দ্রনীল সেন তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী ধ্রুবজ্যোতি বসু ও দীপেশ রায়ের সংস্থাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৮৫ কোটিরও বেশি টাকার বিভিন্ন সরকারি টেন্ডার পাইয়ে দেন। পরবর্তী সময়ে সেই সমস্ত সংস্থার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়।

তদন্তে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, ইন্দ্রনীল সেনের মালিকানাধীন 'অকটেভ রেকর্ডস' নামক একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছিল। এ বিষয়ে ইডি প্রশ্ন করলে অভিযুক্ত ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছিলেন যে, ওই অর্থ রয়্যালটি বা কপিরাইট বাবদ দেওয়া হয়েছিল। তবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই দাবির সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি দুর্গাপূজার পাস বিক্রির নামে চাঁদাবাজি ও আর্থিক অনিয়মের বিষয়গুলোও নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে চন্দননগর কেন্দ্র থেকে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই ইন্দ্রনীল সেনের রাজনৈতিক প্রভাব কমতে শুরু করেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে দুর্নীতি মামলার জেরে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের এই তদন্ত শুধু ইন্দ্রনীল সেনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারই নয়, বরং শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যা আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ