টয়োটা মোটরস ভারতের বাজারে নতুন ফরচুনার লিডার এডিশন লঞ্চ করেছে। যার ম্যানুয়াল ভ্যারিয়েন্টের এক্স-শোরুম মূল্য ৩৬.৫১ লক্ষ এবং অটোমেটিক সংস্করণের দাম ৩৮.৭২ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে এর বুকিং শুরু হবে। গাড়িটিতে ২.৮ লিটারের টার্বোচার্জড ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে, যা ২০৪ হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপন্ন করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- টয়োটা ফরচুনার লিডার এডিশনের ম্যানুয়াল সংস্করণের দাম ৩৬.৫১ লক্ষ টাকা এবং অটোমেটিক সংস্করণের দাম ৩৮.৭২ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- গাড়িটিতে ২.৮ লিটারের চার-সিলিন্ডার টার্বোচার্জড ডিজেল ইঞ্জিন রয়েছে, যা অটোমেটিক ট্রান্সমিশনে ৫০০ এনএম এবং ম্যানুয়ালে ৪২০ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে।
- আগামী ১২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে এই নতুন এসইউভিটির অফিশিয়াল বুকিং শুরু হবে এবং এটি সুপার হোয়াইট, প্ল্যাটিনাম হোয়াইট পার্ল ও অ্যাটিটিউড ব্ল্যাক—এই তিনটি রঙে পাওয়া যাবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
স্বনামধন্য অটোমোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টয়োটা তাদের জনপ্রিয় এসইউভি সিরিজের নতুন সংস্করণ হিসেবে বাজারে এনেছে 'ফরচুনার লিডার এডিশন'। ভারতীয় বাজারে এই বিশেষ সংস্করণের ম্যানুয়াল ভ্যারিয়েন্টের এক্স-শোরুম দাম শুরু হচ্ছে ৩৬.৫১ লক্ষ টাকা থেকে এবং অটোমেটিক ভ্যারিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে ৩৮.৭২ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ, ম্যানুয়াল মডেলের তুলনায় অটোমেটিক সংস্করণের জন্য ক্রেতাদের অতিরিক্ত ২.২১ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে। আগামী ১২ অক্টোবর ২০২৬ থেকে এই আকর্ষণীয় এসইউভিটির বুকিং আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
গতানুগতিক স্ট্যান্ডার্ড মডেলের তুলনায় নতুন এই লিডার এডিশনে এক্সটেরিয়র ও ইন্টারিয়রে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পরিবর্তন আনা হয়েছে। গাড়ির সামনে রয়েছে নতুন ব্ল্যাক ফ্রন্ট গ্রিল, রেডিসাইনড বাম্পার এবং বনেটে বড় অক্ষরে খোদাই করা 'TOYOTA' লোগো। ক্রেতারা সুপার হোয়াইট, প্ল্যাটিনাম হোয়াইট পার্ল এবং অ্যাটিটিউড ব্ল্যাক—এই তিনটি রঙের বিকল্প পাচ্ছেন। তবে পূর্বের সংস্করণে থাকা সিলভার মেটালিক রঙটি নতুন মডেলে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ১৮ ইঞ্চির কালো অ্যালয় হুইল এবং ডুয়াল-টোন ব্ল্যাক রুফ।
গাড়ির ভেতরের অংশে কেবিনকে আরও প্রিমিয়াম লুক দিতে ব্যবহার করা হয়েছে ডুয়াল-টোন ব্ল্যাক ও মেরুন রঙের সিট আপহোলস্ট্রি এবং ডোর ট্রিম। যাত্রীদের আরাম ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এতে যুক্ত করা হয়েছে অ্যাম্বিয়েন্ট লাইটিং, ইলুমিনেটেড ডোর সিল, অটো-ফোল্ডিং আউটসাইড মিরর এবং টায়ার প্রেসার মনিটরিং সিস্টেম (TPMS)। তবে যান্ত্রিক পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ফর্মুলাই বজায় রাখা হয়েছে।
ইঞ্জিন স্পেসিফিকেশনের দিক থেকে গাড়িটিতে রয়েছে সেই শক্তিশালী ২.৮ লিটারের চার-সিলিন্ডার টার্বোচার্জড ডিজেল ইঞ্জিন। ৬-স্পিড অটোমেটিক গিয়ারবক্সের সাথে এটি সর্বোচ্চ ২০৪ হর্সপাওয়ার এবং ৫০০ এনএম টর্ক প্রদানে সক্ষম, অন্যদিকে ৬-স্পিড ম্যানুয়াল সংস্করণে টর্কের পরিমাণ ৪২০ এনএম। এই বিশেষ সংস্করণটি শুধুমাত্র ফোর-টু-টু (4x2) বা টু-হুইল-ড্রাইভ ড্রাইভে পাওয়া যাবে এবং এতে ফোর-বাই-ফোর (4x4) ড্রাইভট্রেনের কোনো বিকল্প রাখা হয়নি।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।