লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

পুজো পর্যায়

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 03 অক্টোবর 2026, 01:47 রাত | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 45 বার পঠিত
পুজো পর্যায়
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে পুরুলিয়ার জয়পুর রাজবাটী ও পারুলিয়ার মণ্ডল বাড়িতে শুরু হয়েছে ৩৫৩ বছরের প্রাচীন দুর্গাপূজার ঐতিহ্যবাহী প্রস্তুতি। অতীতে বন্যায় ভেসে আসা কাঠে নির্মিত প্রতিমার কাঠামোয় আজও নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে দেবীর আরাধনা অনুষ্ঠিত হয়, যা সনাতন বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • পুরুলিয়ার পারুলিয়া মণ্ডল বাড়ির ৩৫৩ বছরের প্রাচীন দুর্গাপূজায় বন্যায় ভেসে আসা ঐতিহাসিক কাঠের কাঠামোতেই বংশপরম্পরায় প্রতিমা নির্মাণ করা হয়।
  • জয়পুর রাজবাটীসহ পশ্চিমাঞ্চলের প্রাচীন রাজবাড়ির ঐতিহ্যবাহী আচার, কামান দাগার রীতি এবং প্রাচীন শাস্ত্রীয় বিধি মেনেই পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
  • ইউনেস্কো স্বীকৃত বাংলার শারদোৎসবের অংশ হিসেবে গ্রামীণ ঐতিহ্যের এ পুজো দেখতে প্রতি বছর কলকাতা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকদের আগমন ঘটে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে পুরুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ি ও প্রাচীন পরিবারগুলোতে শুরু হয়েছে বিশেষ উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে পুরুলিয়ার জয়পুর রাজবাটী এবং পারুলিয়ার মণ্ডল বাড়ির ৩৫৩ বছরের প্রাচীন দুর্গাপূজা ঐতিহ্যের কারণে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক রীতি পরিবর্তন হলেও এই পরিবারগুলো সাবেকি প্রথা ও নিষ্ঠাকে অক্ষুণ্ণ রেখে দুর্গাপূজার আয়োজন চালিয়ে আসছে।

মণ্ডল বাড়ির পূজার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর ঐতিহাসিক প্রতিমার কাঠামো। জনশ্রুতি ও পারিবারিক ইতিহাস অনুসারে, ৩৫৩ বছর পূর্বে এক ভয়াবহ বন্যায় ভেসে আসা বিশেষ একটি কাঠে প্রথম দেবীর বিগ্রহ তৈরি করা হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক কাঠে নির্মিত কাঠামোর ওপর ভিত্তি করেই প্রতি বছর মৃৎশিল্পীরা দেবীর মৃন্ময়ী রূপ নির্মাণ করেন, যা ভক্ত ও গবেষকদের মধ্যে গভীর কৌতূহল সৃষ্টি করে।

জয়পুর রাজবাটী ও আশপাশের প্রাচীন জমিদারি পূজায় আজও সন্ধিপূজার সময় প্রাচীন প্রথা অনুসারে বিশেষ তোপধ্বনি বা প্রতীকী কামান দাগার রীতি চালু রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, শতাব্দী প্রাচীন পুঁথিপত্র ঘেঁটে নবমীর বিশেষ হোমযজ্ঞ ও দশমীর অপরাজিতা পূজা নিখুঁতভাবে পালন করা হয়। ভোগ নিবেদনেও রাখা হয় পারিবারিক সাবেকি ঐতিহ্যের ছোঁয়া।

ইউনেস্কোর আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পর বাংলার গ্রামীণ ও ঐতিহাসিক দুর্গাপূজাগুলো পর্যটন মানচিত্রে আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে। কলকাতা ও অন্যান্য জেলা থেকে ঐতিহ্যপ্রেমী বহু মানুষ শারদোৎসবে পুরুলিয়ার এই প্রাচীন পুজো পরিক্রমায় অংশ নিচ্ছেন, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ