বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত সরকারি মূল্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) মিলছে না বাজারে। ১২ কেজির সিলিন্ডার নির্দিষ্ট দামে বিক্রির কথা থাকলেও রাজধানীর খুচরা বাজারে অতিরিক্ত মূল্য আদায় করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ডিলার ও ব্যবসায়ীদের জরিমানা করা হচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য বাজারে কার্যকর না থাকায় সাধারণ ভোক্তারা অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
- অতিরিক্ত দাম আদায় এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে দেশজুড়ে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে অন্তত ৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
- তথ্য উপদেষ্টা এলপিজির আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সরকার বাধ্য হয়ে দাম সমন্বয় করছে বলে জানিয়েছে, যা স্থানীয় খুচরা বাজারে কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বাজারে নির্ধারিত সরকারি মূল্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ consumidores। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকলেও খুচরা পর্যায়ে তা মানা হচ্ছে না। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা সিন্ডিকেট করে নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সরকারের পক্ষ থেকে এলপিজির দাম সমন্বয় করা হলেও মাঠপর্যায়ে তার সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না। ডিলারদের কারসাজি এবং সরবরাহ সংকটের অজুহাতে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডার বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। সরকারি এই নির্দেশ অমান্য করায় বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এলপিজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অনিয়ম রোধে দেশব্যাপী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে অন্তত ৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে দেখা গেছে, অনেক ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা ক্রয় রসিদ সংরক্ষণ করছেন না এবং অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় এই ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র সাময়িক অভিযান চালিয়ে এলপিজির অস্থিতিশীল বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এজন্য সরবরাহ চেইনের প্রতিটি স্তরে কঠোর নজরদারি এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বাস্তবায়ন করা জরুরি। নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস প্রাপ্তি নিশ্চিত না হলে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।