লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 13 অক্টোবর 2026, 01:57 রাত | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 36 বার পঠিত
শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

বাংলাদেশে শিশুর পিতৃত্ব বা পরিচয় নিশ্চিতকরণে ডিএনএ টেস্ট করার ক্ষেত্রে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। চাইলেই যে কেউ ব্যক্তিগত পর্যায়ে এই পরীক্ষা করাতে পারেন না। সাধারণত আদালতের নির্দেশ বা পুলিশের ফরেনসিক তদন্তের অংশ হিসেবে সরকারি ল্যাবরেটরিতে এই সংবেদনশীল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়, যা পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • বাংলাদেশে ডিএনএ টেস্টের মূল কেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজের ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি এবং সিআইডি ফরেনসিক ল্যাব।
  • ব্যক্তিগত পর্যায়ে বা গোপনে সরাসরি ডিএনএ টেস্ট করার আইনি বা প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ সাধারণত উন্মুক্ত থাকে না।
  • আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ কিংবা পারিবারিক বা ফৌজদারি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবেই এই পরীক্ষা আইনগতভাবে বৈধতা লাভ করে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

সাম্প্রতিক সময়ে সমাজে বিভিন্ন বিরোধ ও অধিকার আদায়ের দাবির প্রেক্ষিতে শিশুর ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) টেস্ট করানোর বিষয়টি বেশ আলোচনায় রয়েছে। অনেকেই জানতে চান বাংলাদেশে চাইলেই এই পরীক্ষা করানোর কোনো সুযোগ রয়েছে কি না। মূলত ডিএনএ পরীক্ষা অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি জৈবিক প্রক্রিয়া, যা মানুষের বংশগত পরিচয় এবং জিনগত সম্পর্ক নিখুঁতভাবে নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। তবে চাইলেই যে কেউ যেকোনো বেসরকারি ক্লিনিকে বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই পরীক্ষা করাতে পারেন না।

আইনগত এবং চিকিৎসাশাস্ত্রের নীতিমালা অনুযায়ী, বাংলাদেশে ডিএনএ টেস্টের জন্য কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হয়। সাধারণত ঢাকা মেডিকেল কলেজের জাতীয় ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ল্যাবে এসব পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরিচয় নিশ্চিতকরণ, পিতৃত্বের দাবি বা অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে আদালত বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের আনুষ্ঠানিক নির্দেশ ছাড়া এই ল্যাবগুলো সচরাচর নমুনা গ্রহণ করে না।

বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা জানান, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং পারিবারিক ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। যত্রতত্র বা আদালতের এখতিয়ার ছাড়া ডিএনএ টেস্ট করার সুযোগ থাকলে তা সামাজিক অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে পারিবারিক বিরোধ বা সন্তানের বৈধতা নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে ভুক্তভোগীরা আদালতের শরণাপন্ন হন এবং বিচারকের আদেশের পরেই কেবল আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

সামগ্রিকভাবে, বাংলাদেশে ডিএনএ টেস্ট কেবল একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষা নয়, বরং এটি আইনি প্রক্রিয়ার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিচার বিভাগের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা এবং যথাযথ আইনি পথ অনুসরণ না করলে এই পরীক্ষার কোনো আইনগত গ্রহণযোগ্যতা থাকে না। তাই ভুক্তভোগী বা দাবিদারদের সবসময় প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এই সংবেদনশীল পদক্ষেপ নিতে হয়।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ