দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সকল মার্কেট ও বিপণিবিতান রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠনটির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া এই প্রস্তাব পেশ করেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবনাপত্র প্রেরণ করেন।
- প্রস্তাবিত সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
- ব্যবসায়ীদের যুক্তি অনুযায়ী, বর্তমানে জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুতের লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় দুর্গাপূজার উৎসবের বাজারে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের সার্বিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এই শিথিলতা জরুরি।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের মার্কেট, বিপণিবিতান ও খুচরা দোকানগুলো রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এই দাবি জানানো হয়। সংগঠনটির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন ও মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, দেশের সংকটময় মুহূর্তে জ্বালানি সাশ্রয়ের সরকারি সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ীরা শুরু থেকেই পূর্ণ সহযোগিতা করে আসছেন।
এর আগে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জাতীয় উদ্যোগের অংশ হিসেবে সারা দেশের সব বিপণিবিতান ও মার্কেট রাত আটটার মধ্যে বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছিল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহ ও বিদ্যুতের লোডশেডিং পরিস্থিতি অনেকটাই সহনীয় পর্যায়ে এসেছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। এই বাস্তবতায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের নমনীয়তা কামনা করছেন।
চিঠিতে সুনির্দিষ্টভাবে আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার সময়সীমা দুই ঘণ্টা বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব এবং এই সময়ে পোশাক, প্রসাধন ও উপহারসামগ্রীর বাজারে ব্যাপক লেনদেন হয়। রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখতে বাধ্য হওয়ায় ক্রেতা সমাগম ব্যাহত হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এই বর্ধিত সময়সীমা কার্যকর হলে সাধারণ ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে পারবেন এবং ব্যবসায়ীরাও তাদের কাঙ্ক্ষিত বাৎসরিক বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, সার্বিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও জ্বালানি সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এই আবেদনে কী ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।