সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত এই সভায় তিনি আইনের শাসন, সমতা ও বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- শনিবার সকালে সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
- অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
- সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, কনসাল জেনারেল, হজ কাউন্সেলর, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। একই সঙ্গে আইনের শাসন, সমতা, বৈষম্যহীনতা ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। শনিবার সকালে সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি ও মুক্তিকামী জনতা এক রক্তপাতহীন বিপ্লবের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে পরিচালিত দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিল। জাতীয় ইতিহাসের প্রতিটি কঠিন ও সংকটময় মুহূর্তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম দূরদর্শী ও নির্ভীক নেতৃত্ব দিয়ে জাতিকে পথ দেখিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণা পুরো জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক অবদান ও চেতনাকে ধরে রাখতে দিবসটির জাতীয় ছুটি ও সরকারি মর্যাদা বহাল রেখেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৭ নভেম্বরকে রাষ্ট্রীয় পূর্ণ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় সরকার, যেখানে বৈষম্য ও ফ্যাসিবাদের কোনো স্থান থাকবে না।
অনুষ্ঠানে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, কনসাল জেনারেল, কাউন্সেলর (হজ), কনস্যুলেট জেনারেল ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।