লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

Traditional Durga Puja: ঢাকের বোলে মায়ের বরণ, ভোগে ইলিশ-পান্তাভাত! চমকে ভরপুর বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির দুর্গাপুজো, জানুন

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 16 অক্টোবর 2026, 09:35 সকাল | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 63 বার পঠিত
Traditional Durga Puja: ঢাকের বোলে মায়ের বরণ, ভোগে ইলিশ-পান্তাভাত! চমকে ভরপুর বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির দুর্গাপুজো, জানুন
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয় ঢাকের বোল ও দেবী বরণে থাকছে শতবর্ষের পুরোনো ঐতিহ্য। মহাষ্টমীর বিশেষ ভোগে ইলিশ মাছ ও পান্তাভাত নিবেদনের এই অনন্য প্রথা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। রাজপরিবারের এই ঐতিহাসিক পুজো ঘিরে তিস্তা পারের ইতিহাস ও লোককথার মিশেলে ভক্তদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয় শতবর্ষের ঐতিহ্য মেনে মহাষ্টমীর বিশেষ ভোগ হিসেবে দেবী দুর্গাকে ইলিশ মাছ ও পান্তাভাত নিবেদন করা হয়।
  • তিস্তা পারের ঐতিহাসিক এই পূজায় দেবী চৌধুরানীর মন্থনী মাতা রূপ এবং দুই শতাব্দী ধরে চলে আসা নানা প্রাচীন আচার-অনুষ্ঠান যুক্ত রয়েছে।
  • জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলেও ঐতিহ্যবাহী এই দুর্গোৎসবের মূল আকর্ষণ ও আভিজাত্য বজায় রেখে স্থানীয় ভক্ত ও রাজপরিবারের বংশধররা তা পালন করছেন।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

শরৎ মানেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। আর এই শারদোৎসবের আবহেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন ঐতিহাসিক রাজবাড়ির পুজো ঘিরে তৈরি হয় আলাদা উন্মাদনা। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ জলপাইগুড়ির ঐতিহ্যবাহী বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির দুর্গাপুজো। শত শত বছরের প্রাচীন এই পুজোয় আজও বজায় রয়েছে প্রথাগত রাজকীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা অদ্ভুত সব নিয়ম। ঢাকের বাদ্য আর দেবীর বরণে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা রাজবাড়ি চত্বর, যা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন পুণ্যার্থীরা।

বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির পুজোর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ভোগ নিবেদনের প্রক্রিয়া। মহাষ্টমীর দিন দেবীকে বিশেষ ভোগ হিসেবে পান্তাভাত এবং ইলিশ মাছ নিবেদন করা হয়, যা এই পুজোর অন্যতম প্রধান চমক। প্রচলিত লোককথা ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা পারের এই অঞ্চলে দেবী জয়দুর্গা ও মন্থনী মাতারূপে দেবী চৌধুরানীর পূজার ইতিহাস দুই শতাব্দীরও বেশি পুরোনো। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমিদারির ব্যাটন হাতবদল হয়ে জনতার হাতে এলেও পুজোর আচার-অনুষ্ঠানে বিন্দুমাত্র ছেদ পড়েনি।

স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ও গবেষকদের মতে, বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির এই পুজো কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং উত্তরবঙ্গের প্রাচীন সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক জীবন্ত দলিল। পুজোর দিনগুলোতে দেবীর শ্রীচরণে নৈবেদ্য সাজানো থেকে শুরু করে হোম-যজ্ঞ এবং সন্ধিপূজায় নিখুঁত নিয়মকানুন মেনে চলা হয়। রাজপরিবারের উত্তরসূরিরা এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রেখেছেন।

আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও প্রাচীন রীতিনীতি অক্ষুণ্ণ রেখে বৈকুণ্ঠপুর রাজবাড়ির পুজো প্রমাণ করে দেয় যে বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের শিকড় কতটা গভীর। এই পুজো কেবল ধর্মীয় ভাবাবেগকেই জাগ্রত করে না, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষেত্রেও এক বিরাট ভূমিকা পালন করে আসছে যুগের পর যুগ ধরে।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ