লাইভ
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
প্লে-স্টোর অ্যাপ

ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশের ঋণের হার কম

প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: 24 অক্টোবর 2026, 03:22 রাত | পড়ার সময়: 1 মিনিট | 21 বার পঠিত
ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশের ঋণের হার কম
প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ হতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশের এই ঋণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও এমন তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক অবস্থান দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সরকারের নীতিগত নমনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ তৈরি করছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):

  • আইএমএফের ২০২৬ সালের প্রাক্কলন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশে সীমিত থাকতে পারে, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন।
  • তুলনামূলক চিত্রে দেখা যায়, ২০২৬ সালে ভারতের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ৭০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ৯৫ শতাংশ এবং মালদ্বীপের ১৩১ শতাংশ হতে পারে।
  • বিশেষজ্ঞদের মতে, জিডিপির তুলনায় ঋণের অনুপাত কম থাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে ব্যয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের নীতিগত সুযোগ তৈরি হয়েছে, তবে এর জন্য রাজস্ব আহরণ ও উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম রয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্যভিত্তিক ২০২৬ সালের প্রাক্কলন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশে অবস্থান করতে পারে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও উন্নয়ন ব্যয়ের চাপের মধ্যেও জিডিপির অনুপাতে ঋণের এই হার তুলনামূলক কম থাকায় দেশের সার্বিক আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি স্বস্তিদায়ক চিত্র ফুটে উঠেছে।

প্রাপ্ত উপাত্ত পর্যালোচনায় দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের ঋণের অনুপাত বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি। ২০২৬ সালে ভারতের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ৭০ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার ৯৫ শতাংশ হতে পারে। এছাড়া মালদ্বীপের ঋণ ১৩১ শতাংশ এবং ভুটানের ১১৬ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা তাদের বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের আকারকেও ছাড়িয়ে যাবে। নেপালের ক্ষেত্রে এই অনুপাত প্রায় ৪৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এই হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার ভারতের অর্ধেকেরও কম।

অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকদের মতে, জিডিপির তুলনায় সরকারি ঋণের অনুপাত কম থাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক খাতে ব্যয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের নীতিগত নমনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ তৈরি হয়। তবে এই সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে টেকসই নীতি অনুসরণ, সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সংগৃহীত ঋণের অর্থ সম্পূর্ণভাবে উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহারের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বর্তমানে মূল্যস্ফীতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন চাহিদার চাপে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতামূলক অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুনির্দিষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সম্পাদকীয় নীতি ও তথ্য যাচাই

বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

অফিসিয়াল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন

সর্বশেষ খবর ও তাৎক্ষণিক ব্রেকিং পুশ নোটিফিকেশন

প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সবার আগে পড়তে ইনস্টল করুন বাংলা নিউজ ২৪-এর অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। নির্ভুল খবর, তাৎক্ষণিক ব্রেকিং আপডেট ও সাবলীল পাঠ-অভিজ্ঞতা।

GET IT ON
Google Play
গুগল প্লে স্টোরে ক্লোজড বেটা ও আর্লি অ্যাক্সেস লাইভ