দেশের বাজারে টানা চার দফা কমার পর আবারও বাড়ানো হলো স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করেছে।
- এর আগে দেশের বাজারে টানা চার দফায় স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
- নতুন মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৩১ হাজার ২৫১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১২ হাজার ৫০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশের বাজারে টানা চার দফা কমার পর আবারও ঊর্ধ্বমুখী হলো মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণ বা পাকা সোনার দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। নতুন এই দাম দেশের সকল জুয়েলারি দোকানে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩১ হাজার ২৫১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১২ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রূপার দাম।
বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে বুলিয়নের দামের ওঠানামার পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার চাহিদার ওপর ভিত্তি করে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত কয়েক দফায় বিশ্ববাজারে ডলারের পতন ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কিছুটা স্বস্তিজনক পর্যায়ে নেমেছিল। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে পাল্লা দিয়ে দেশের বাজারে চাহিদার ঘাটতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে এই দামের পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বমুখী দাম সাধারণ ক্রেতা ও মধ্যবিত্ত সমাজের জন্য অলংকার কেনার খরচ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে দেশের ডেমোগ্রাফিক জুয়েলারি বাজারে বেচাকেনার ওপর সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে বিনিয়োগকারী ও যারা দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণে পুঁজি বিনিয়োগ করেন, তাদের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি লাভজনক হলেও সাধারণ বিয়ের বাজার বা পারিবারিক আনুষ্ঠানিকতার ক্রেতাদের জন্য এটি অতিরিক্ত আর্থিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।