ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীতে আট অঞ্চলে আট রঙের ই-রিকশা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে চালকদের জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে একজন ব্যক্তি ৫টির বেশি অটোরিকশার মালিক হতে পারবেন না বলে নতুন নীতিমালায় কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যা আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- রাজধানীকে আটটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে ভাগ করে ভিন্ন রঙের ই-রিকশা পরিচালনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
- নতুন নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বা মালিক পাঁচটির বেশি অটোরিকশার লাইসেন্স বা মালিকানা রাখতে পারবেন না।
- প্রাথমিক পর্যায়ে চালকদের অবিলম্বে লাইসেন্সের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
ঢাকা মহানগরীর তীব্র যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখন থেকে রাজধানীর আটটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে আট রঙের ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচল করবে। এর ফলে নির্দিষ্ট এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না, যা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে অনেকটাই সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে অনুমোদনহীন ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নতুন নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো, এক ব্যক্তি পাঁচটির বেশি অটোরিকশার মালিক হতে পারবেন না, যা অবৈধ সিন্ডিকেট ও লাইসেন্স কুক্ষিগত করার প্রবণতা রোধ করবে।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরের রিকশা ব্যবস্থাপনার বিকেন্দ্রীকরণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। নতুন এই উদ্যোগের ফলে অঞ্চলভিত্তিক রিকশার সংখ্যা নির্ধারিত হবে। তবে চালকদের স্বার্থ বিবেচনা করে আপাতত তাদের লাইসেন্সের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতা শিথিল রাখা হয়েছে, যা পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নির্ধারণ করা হবে।
এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে অবৈধ যানবাহনের চাপ কমবে এবং সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি এটি নগরবাসীর যাতায়াতকে আরও নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক করে তুলবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।