আসন্ন ধনতেরস ও দীপাবলি উৎসবের আগে কলকাতার বাজারে কমল সোনা ও রুপোর দাম। স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ অক্টোবরের তুলনায় ২ নভেম্বর প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনা ১৫ টাকা কমে ১৩,০৫০ টাকা এবং প্রতি কেজি রুপোর বার ১১৩ টাকা কমে ১,৮১,৯৬১ টাকায় নেমেছে। যা মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক খবর।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- কলকাতায় প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট বা ৯১৬ বিশুদ্ধতার সোনার দাম ১৫ টাকা কমে ২ নভেম্বর দাঁড়ায় ১৩,০৫০ টাকায়, যা ৩১ অক্টোবর ছিল ১৩,০৬৫ টাকা।
- প্রতি গ্রাম ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ৩১ অক্টোবরের ১০,৭১৫ টাকার পরিবর্তে ১৫ টাকা কমে ২ নভেম্বর হয়েছে ১০,৭১০ টাকা।
- এক কেজি ৯৯৯ বিশুদ্ধতার রুপোর বারের দাম ১,৮২,০৭৪ টাকা থেকে কমে ২ নভেম্বর ১,৮১,৯৬১ টাকায় নেমে এসেছে, যা এক কেজিতে ১১৩ টাকা কম।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
সামনেই ধনতেরস ও দীপাবলি উৎসব। উৎসবের এই মরসুমে সোনা ও রুপো কেনার পরিকল্পনা করেন অজস্র ক্রেতা। ঠিক এই সময়েই কলকাতার বাজারে কমল সোনা ও রুপোর দাম। কলকাতার স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির প্রকাশিত দৈনিক বাজারদর অনুযায়ী, গত দুই দিনের ব্যবধানে ২২ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেট সোনা এবং রুপোর বারের দাম কিছুটা হলেও হ্রাস পেয়েছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের মুখে স্বস্তির হাসি ফুটিয়েছে।
বাজারদর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৩১ অক্টোবর কলকাতায় ২২ ক্যারেট বা ৯১৬ বিশুদ্ধতার সোনার বিক্রির দর ছিল প্রতি গ্রামে ১৩,০৬৫ টাকা। ২ নভেম্বর সেই দাম কমে হয়েছে প্রতি গ্রাম ১৩,০৫০ টাকা। অর্থাৎ, দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি গ্রামে ১৫ টাকা এবং ১০ গ্রাম সোনা কিনতে ১৫০ টাকা কম খরচ হচ্ছে। অন্যদিকে, হিরে বা পাথর সেটিংয়ের গয়না তৈরিতে ব্যবহৃত ১৮ ক্যারেট সোনার দামও প্রতি গ্রামে ১৫ টাকা কমে ১০,৭১০ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ৩১ অক্টোবর ছিল ১০,৭২৫ টাকা।
স্বর্ণশিল্প বাঁচাও কমিটির তালিকা অনুযায়ী, ৯৯৫ বিশুদ্ধতার ফাইন গোল্ডের দাম প্রতি গ্রামে ১৭ টাকা কমে ১৩,৭৩৪ টাকায় নেমেছে, যা এর আগে ১৩,৭৫১ টাকা ছিল। তবে এই মূল্যের সঙ্গে জিএসটি এবং মেকিং চার্জ যুক্ত হয়ে চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়। পাশাপাশি, মূল্যবান ধাতু রুপোর বাজারেও পতন লক্ষ্য করা গেছে। ৩১ অক্টোবর এক কেজি ৯৯৯ বিশুদ্ধতার রুপোর বারের দাম ছিল ১,৮২,০৭৪ টাকা, যা কমে হয়েছে ১,৮১,৯৬১ টাকা। অর্থাৎ এক কেজি রুপোয় ১১৩ টাকা দাম কমেছে।
উৎসবের আগে এই মূল্য হ্রাসের ফলে ক্রেতারা কিছুটা অর্থনৈতিক স্বস্তি পেলেও খুচরো গয়না কেনার সময় মেকিং চার্জ ও করের প্রভাব মাথায় রেখেই বাজেট তৈরি করতে হবে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দীপাবলি ও ধনতেরসের ঠিক প্রাক্কালে এই মূল্যপতন বাজারে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং সোনা-রুপোর সামগ্রীর বিক্রি সন্তোষজনক মাত্রায় উন্নীত হবে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।