দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে একজন ও চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট ১,২৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৫ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১,১৬৭ জন মারা গেছে। বর্তমানে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭৫ জন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ১,২৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১,১৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছে।
- গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৯ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ১,৩২৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে, যা মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ২,৩৫,৪৭৫-এ উন্নীত করেছে।
- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪,২১৯ জন এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে তিন শিশুর মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগে একজন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। যদিও এই সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি, তবে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।
চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট ১,২৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, আর ১,১৬৭ জন মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে। বর্তমানে দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪,২১৯ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ১,৩২৭ জনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিয়েছে, যা মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭৫ জনে নিয়ে গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, হামের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপসর্গ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং আক্রান্ত শিশুকে আইসোলেশনে রাখা জরুরি। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় সেখানে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
হামের এই ক্রমবর্ধমান প্রকোপ জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে টিকাদান কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা যায়।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।