বেলেঘাটার যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন বাস রুটের দাবিতে পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের দপ্তরে হাজির হলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ফুলবাগান থেকে হাওড়া স্টেশন পর্যন্ত নতুন রুটের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী অর্জুন সিং এই প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে দ্রুত কার্যকর করার আশ্বাস দিয়েছেন। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট করেছেন, এটি সম্পূর্ণ জনস্বার্থমূলক উদ্যোগ, এর মধ্যে কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ নেই।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- বেলেঘাটা থেকে হাওড়া স্টেশন পর্যন্ত নতুন বাস রুটের প্রস্তাব দিয়েছেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ, যা ফুলবাগান ও সেল ট্যাক্স অফিসের ওপর দিয়ে চলাচল করবে।
- পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং প্রস্তাবটি গ্রহণ করে সচিবালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন এবং সরকারিভাবে নতুন কেনা ই-বাস এই রুটে যুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন।
- কুণাল ঘোষের দাবি অনুযায়ী, বিশেষ করে অফিস টাইমে যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই রুটে বাস পরিষেবা চালু করা অত্যন্ত জরুরি।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
বেলেঘাটা এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হলেন স্থানীয় বিধায়ক কুণাল ঘোষ। মঙ্গলবার তিনি রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের দপ্তরে গিয়ে একটি লিখিত প্রস্তাব জমা দেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, ফুলবাগান থেকে বেলেঘাটা মেন রোড ও সেল ট্যাক্স অফিস হয়ে হাওড়া স্টেশন পর্যন্ত একটি নতুন বাস রুট চালু করার দাবি জানানো হয়েছে। বিশেষ করে অফিস টাইমে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এই রুটের গুরুত্ব অপরিসীম বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বর্তমানে নারকেলডাঙা মেন রোডে মেট্রো পরিষেবা থাকলেও বেলেঘাটা মেন রোডে হাওড়াগামী বাস পরিষেবার অভাব রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যেই বিধায়ক এই প্রস্তাব পেশ করেছেন। পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং বিধায়কের এই প্রস্তাব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার বর্তমানে যে আধুনিক ই-বাসগুলো সংগ্রহ করছে, তার একটি অংশ এই নতুন রুটে বরাদ্দ করা হতে পারে।
বৈঠক শেষে কুণাল ঘোষ জানান, মন্ত্রী অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন এবং সচিবালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি চেয়েছি পরীক্ষামূলকভাবে হলেও এই পরিষেবা শুরু হোক। মন্ত্রী মহোদয় তাতে সম্মতি দিয়েছেন।” বিধায়ক আশাবাদী যে, খুব শীঘ্রই এই রুটে বাস চলাচল শুরু হলে বেলেঘাটাবাসীর হাওড়া স্টেশন যাতায়াত অনেক সহজ ও আরামদায়ক হবে।
এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে কোনো জল্পনা যাতে তৈরি না হয়, সে বিষয়ে কুণাল ঘোষ আগেভাগেই সতর্ক করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ জনস্বার্থে বিধায়ক ও মন্ত্রীর দাপ্তরিক কাজ। রাজনৈতিক কোনো সমীকরণ না খুঁজে এটিকে কেবল সাধারণ মানুষের উপকারের মাধ্যম হিসেবে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।