পুলিশি হয়রানি বন্ধ ও জীবিকার সুরক্ষার দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়ক প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা। এই আকস্মিক কর্মসূচির কারণে তোপখানা রোড, পল্টন ও হাইকোর্ট মোড় সংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ও আশ্বাসে চালকরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পয়েন্ট (Key Takeaways):
- জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের তোপখানা সড়কে শতাধিক ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক অবস্থান নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাখেন।
- বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবির মধ্যে ছিল পুলিশি ডাম্পিং ও জরিমানা বন্ধ করা, চালকদের ওপর হয়রানি রোধ এবং রিকশা চলাচলের জন্য সুনির্দিষ্ট সরকারি নীতিমালা প্রণয়ন।
- অবরোধের কারণে সচিবালয়, পল্টন মোড় ও কদম ফোয়ারা এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হলে পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসে চালকরা রাস্তা ছেড়ে দেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন
পুলিশি হয়রানি ও রিকশা জব্দ বন্ধের দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়ক প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা। অবরোধ চলাকালে তোপখানা রোড দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। আকস্মিক এই কর্মসূচির কারণে সচিবালয়, পল্টন মোড়, হাইকোর্ট ও কদম ফোয়ারা সংলগ্ন ব্যস্ততম সড়কগুলোতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।
বিক্ষোভকারী চালকদের অভিযোগ, রাজধানীতে জীবিকা নির্বাহের জন্য রিকশা চালাতে গিয়ে তারা প্রতিনিয়ত ট্রাফিক পুলিশ ও প্রশাসনের কঠোর অভিযানের মুখে পড়ছেন। কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাদের রিকশা ডাম্পিং করা হচ্ছে এবং ভারী অঙ্কের জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। চালকরা অবিলম্বে এই ধরপাকড় বন্ধের দাবি জানান এবং ব্যাটারিচালিত হালকা যানের জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে বৈধভাবে চলাচলের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
অবরোধ চলাকালে আন্দোলনরত চালকরা সড়কের ওপর অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার হুঁশিয়ারি দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। পরে পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে চালকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দাবি-দাওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর আশ্বাস দেন।
পুলিশের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে চালকরা ব্যানার গুটিয়ে সড়ক থেকে সরে যান এবং প্রায় এক ঘণ্টা পর তোপখানা রোডে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। রাজধানীজুড়ে যানজট নিরসন এবং সড়ক নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা ও প্রশাসনিক কড়াকড়ি থাকলেও চালকদের জীবিকার প্রশ্নটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সংকট চলছে।
বাংলা নিউজ ২৪ জাতীয় সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসারে বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশ করে। কোনো অসঙ্গতি বা তথ্য সংশোধনের জন্য আমাদের সম্পাদকীয় বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।